শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রথম পাতা » শিক্ষা | শিক্ষাঙ্গন » শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত
শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান, আবেদন করা যাবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত
![]()
সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের বিশেষ অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ অনুদানের জন্য আগ্রহীদের আগামী ১৫ অক্টোবর ২০২৬-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের পুনর্বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, যারা এরই মধ্যে অনলাইনে আবেদন করেছেন, তাদের নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে না। একই ব্যক্তি দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে উভয় আবেদনই বাতিল করা হবে।
বিশেষ অনুদানের অর্থ বিতরণের লক্ষ্যে চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মাইগভ প্ল্যাটফর্মে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছিল। তবে নির্ধারিত সংখ্যক যোগ্য আবেদনকারী না পাওয়ায় এবং প্রত্যন্ত, দুর্গম, উপকূলীয়, চরাঞ্চল ও হাওর এলাকার অনেক সম্ভাব্য আবেদনকারীর অনলাইনে আবেদনের সুযোগ সীমিত থাকায় এবার নতুন করে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন নেওয়া হচ্ছে।
যেসব খাতে দেওয়া হবে অনুদান—
১. বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেরামত ও সংস্কার, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ কেনা, খেলাধুলার সরঞ্জাম সংগ্রহ, প্রতিষ্ঠানকে প্রতিবন্ধীবান্ধব করা এবং পাঠাগারের উন্নয়নে অনুদান দেওয়া হবে।
২. বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনার কারণে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
৩. সরকারি ও বেসরকারি সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করা শিক্ষার্থীরা এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। দুরারোগ্য ব্যাধি ও দৈব দুর্ঘটনায় আক্রান্ত, দুস্থ, মেধাবী, এতিম, অদম্য মেধাবী ও দরিদ্র, প্রতিবন্ধী, তৃতীয় লিঙ্গ, অসহায় এবং অনগ্রসর সম্প্রদায়ের শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি উপকূলীয়, চরাঞ্চল, হাওর ও প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীরাও অগ্রাধিকার পাবেন।
যেভাবে আবেদন করতে হবে—
ক. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য অনুদান পেতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান বা প্রধান শিক্ষক নির্ধারিত ফরমে আবেদন করবেন।
খ. মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষক-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান/প্রধান শিক্ষক/অধ্যক্ষের মাধ্যমে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করতে হবে। অন্যদিকে, স্নাতক বা সমমান এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান/অধ্যক্ষ/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
গ. প্রতিষ্ঠানপ্রধান/অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক/রেজিস্ট্রার আবেদনগুলো গ্রহণ করে প্রাথমিকভাবে যাচাই করবেন। এরপর সব আবেদন একত্র করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠাতে হবে।
ঘ. অনলাইন ও ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে একই আবেদন যাতে দুইবার সুপারিশ না হয়, সে জন্য জেলা কমিটিকে আগে অনলাইনে পাঠানো সুপারিশকৃত তালিকা এবং এ বিজ্ঞপ্তির আওতায় ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে পাওয়া তালিকা সমন্বয় করতে হবে। এরপর একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে পাঠাতে হবে।
ঙ. নির্ধারিত আবেদন ফরম বিভাগের ওয়েবসাইট এবং সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়, জেলা শিক্ষা অফিস ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।
আবেদনের শেষ সময়—
প্রতিষ্ঠানপ্রধান/অধ্যক্ষ/প্রধান শিক্ষক/রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে পাওয়া আবেদন জেলা কমিটি যাচাই করে সুপারিশ করবে। সুপারিশকৃত তালিকা আগামী ১৫ অক্টোবর বিকেল ৪টার মধ্যে সচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বরাবর পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর পাওয়া কোনো আবেদন গ্রহণ বা বিবেচনা করা হবে না।
যেসব শর্ত মানতে হবে—
ক. কেউ আগে অনলাইনে আবেদন করে থাকলে তাকে আবার ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদন করতে হবে না। একই আবেদনকারী দুই পদ্ধতিতে আবেদন করলে উভয় আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
খ. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষক-কর্মচারীরা চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ ২ (দুই) বার এ সুবিধা নিতে পারবেন। আর কোনো শিক্ষার্থী তার শিক্ষাজীবনে প্রতি ৩ (তিন) বছর পরপর এ অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গ. একই সময়ে অন্য কোনো সরকারি অনুদান গ্রহণ করলে এ আবেদনের জন্য যোগ্যতা থাকবে না। তবে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সরকার প্রদত্ত সাধারণ উপবৃত্তি ও মেধাবৃত্তি এ নীতিমালার আওতামুক্ত থাকবে।
ঘ. যেসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সংস্থার মাধ্যমে নির্মাণ, সংস্কার বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছে অথবা সংশ্লিষ্ট অর্থবছরে এ ধরনের প্রকল্প শেষ হয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠানের আবেদন বিবেচনা করা হবে না।
ঙ. অনলাইনে আবেদনকারী এবং ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে আবেদনকারী—উভয় ক্ষেত্রেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে অনুদানের অর্থ দেওয়া হবে। এ জন্য অপ্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে তাদের পিতা–মাতার সঙ্গে যৌথ নামে এবং প্রাপ্তবয়স্ক শিক্ষার্থীদের নিজ নামে যেকোনো তফসিলি ব্যাংকে হিসাব থাকা বাধ্যতামূলক।
চ. অসম্পূর্ণ, ভুল বা ত্রুটিপূর্ণ তথ্যযুক্ত এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না; এসব আবেদন সরাসরি বাতিল করা হবে।
ছ. আবেদন করা বা সুপারিশ পাওয়াকে অনুদানের অর্থ পাওয়ার অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।






কমনওয়েলথ বৃত্তিতে মাস্টার্স-পিএইচডি, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩০ সেপ্টেম্বর
এসএসসি উত্তীর্ণদের জন্য ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের বৃত্তি, ২ বছর মিলবে মাসে ২,৫০০ টাকা
নিউজিল্যান্ডে পড়াশোনা শেষে কাজের সুযোগ বাড়ছে, আসছে নতুন ভিসা
কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষায় বরাদ্দ বেড়ে ১৮ হাজার ৪৫৭ কোটি টাকা
ইআইআইএনবিহীন কারিগরি প্রতিষ্ঠানে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আবেদনের নির্দেশ
বিভাগীয় শহরে হচ্ছে না জাবির ভর্তি পরীক্ষা, সিদ্ধান্ত ঝুলছে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি পরীক্ষার ফি কমল, নতুন সময়সূচি ঘোষণা
বিশ্ব শিক্ষক দিবসে সম্মাননা, ১৪০ গুণী শিক্ষকের তালিকা চেয়েছে মাউশি
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল-পিএইচডিতে ভর্তি, ফেলোশিপে মাসে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা 