শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

Shikkha Bichitra
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » পরিবেশ » পরিবেশ রক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্ব প্রতিমন্ত্রীর
প্রথম পাতা » পরিবেশ » পরিবেশ রক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্ব প্রতিমন্ত্রীর
১৪ বার পঠিত
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

পরিবেশ রক্ষায় সবুজ অর্থায়ন ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্ব প্রতিমন্ত্রীর

---

 

পরিবেশ সংরক্ষণে সবুজ অর্থায়ন এবং আধুনিক পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, পরিবেশ ও প্রাকৃতিক প্রতিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বনাঞ্চল রক্ষা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে সবুজ অর্থায়ন, পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও প্রকৃতিনির্ভর সমাধানের কার্যকর প্রয়োগ প্রয়োজন।

রোববার (২৫ অক্টোবর) হংকং সফরের অংশ হিসেবে প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং বিএনপির নেতাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এদিন বাংলাদেশ কনস্যুলেটে ‘সুন্দরবন লাউঞ্জ’ উদ্বোধন করেন প্রতিমন্ত্রী।

সফরকালে হংকংয়ে আয়োজিত ‘ইকো এক্সপো এশিয়া ২০২৬’ এবং ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড গ্রিন ইনোভেশন কনফারেন্স’-এ অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। পাশাপাশি চীনের হুনান প্রদেশে সবুজ প্রযুক্তিবিষয়ক একটি ফোরামে অংশগ্রহণ এবং পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা পরিদর্শনের কর্মসূচিও রয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৫৪ লাখ গাছ লাগানো হয়েছে। রোপিত এসব গাছের পরিচর্যা ও সুরক্ষা কার্যক্রমও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে পাহাড় কাটা ও বনভূমি দখল বন্ধ করার পাশাপাশি অবৈধ দখলে থাকা বনাঞ্চল পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন তিনি।

বুড়িগঙ্গা, তুরাগ ও ধলেশ্বরী নদীর দূষণ পরিস্থিতি তুলে ধরে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ৪২৪টি পয়েন্ট থেকে নদীগুলোতে দূষণ ঘটছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় দূষণ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রচলিত ইটের বিকল্প হিসেবে কংক্রিট ব্লকের ব্যবহার সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন তিনি। পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ আগ্রহের কথা উল্লেখ করে কার্বন ক্রেডিট এবং প্রকৃতিনির্ভর সমাধানের সম্ভাবনাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভায় মোংলা বন্দরের ব্যবসায়িক কার্যক্রমের সক্ষমতা বাড়ানো, সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার সম্প্রসারণ, সবুজ অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগানো এবং রেমিট্যান্স বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়। এ ছাড়া ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা, রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র, নোয়াখালীতে ভূমিহীনদের বসতি স্থাপন, বন বিভাগের জমি নিয়ে বিদ্যমান সমস্যা এবং সদরঘাটের পরিচ্ছন্নতা নিয়েও কথা হয়। দেশজুড়ে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমকে একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।

এ সময় হংকংয়ে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. শাহ মোহাম্মদ তানভীর মনসুর, বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 



আর্কাইভ