শিরোনাম:
ঢাকা, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

Shikkha Bichitra
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » তথ্য-প্রযুক্তি | ব্যাবসা-বাণিজ্য » প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বাংলাদেশকে হতে হবে উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক: বিজ্ঞানমন্ত্রী
প্রথম পাতা » তথ্য-প্রযুক্তি | ব্যাবসা-বাণিজ্য » প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বাংলাদেশকে হতে হবে উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক: বিজ্ঞানমন্ত্রী
১২ বার পঠিত
রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

প্রযুক্তির ভোক্তা নয়, বাংলাদেশকে হতে হবে উদ্ভাবক ও রপ্তানিকারক: বিজ্ঞানমন্ত্রী

---

 

বিদেশি প্রযুক্তিনির্ভরতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে গবেষণা ও নিজস্ব উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশকে প্রযুক্তি উৎপাদন এবং রপ্তানিতে সক্ষম দেশে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

শনিবার রাজধানীর বাড্ডায় ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‘বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ অনুষ্ঠানে দেশের ৩৫৫টি প্রকল্পের মধ্য থেকে ৪৪টি তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনকে পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়। বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন নেটওয়ার্ক (বিআইআইএন) আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় নয়টি প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন, ১০টি উইনার এবং ২৫টি মেরিট পুরস্কার অর্জন করেছে।

শিল্প, শিক্ষা, ব্যাংকিং, সরকারি প্রশাসন এবং স্টার্টআপ খাতের ৪০ জন বিচারক দুই দিনব্যাপী মূল্যায়ন শেষে প্রকল্পগুলো থেকে বিজয়ীদের নির্বাচন করেন।

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, সেমিকন্ডাক্টর ডিজাইন, সফটওয়্যার, ডেটা সেন্টার ও ডিজিটাল সেবাসহ প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে সরকার কাজ করছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে জ্ঞাননির্ভর অর্থনীতিতে রূপান্তরের পথে এগোচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে বিশ্বের অন্যতম ডিজিটাল অর্থনীতির দেশ হিসেবে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি বলেন, অর্থনীতির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে বিজ্ঞান, তথ্যপ্রযুক্তি, গবেষণা ও উদ্ভাবনকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

তিনি বলেন, ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর জন্য বিচ্ছিন্নভাবে কিছু উদ্ভাবনী উদ্যোগ বা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা যথেষ্ট নয়। এ লক্ষ্য অর্জনে সরকার, ব্যবসায়ী মহল এবং শিক্ষাঙ্গনের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা-বিটিআরসির চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মো. এমদাদ উল বারী।

বিআইআইএনের চেয়ারম্যান সৈয়দ আলমাস কবীরের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য আরশাদ মাহমুদ চৌধুরী এবং বিআইআইএনের নির্বাহী পরিচালক রুবাবা দৌলা মতিনসহ সংশ্লিষ্টরা।

চ্যাম্পিয়ন হওয়া নয়টি উদ্ভাবনের মধ্যে প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছে সক্রিও টেকনোলজিস লিমিটেডের ‘সক্রিও ডিএমএস’, টেটন প্রাইভেট লিমিটেডের ‘মাইইসিজিএআই’ এবং গ্রামীণ হেলথটেক লিমিটেডের ‘দ্য সুখী ওয়ে: কানেক্টেড কেয়ার থ্রু ইন্টিগ্রেটেড ডিজিটাল সার্ভিসেস’।

শিক্ষার্থী ক্যাটাগরিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটের ‘এজেন্টআইএএম’, ইউল্যাবের ‘ক্রনিক’, চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-চুয়েটের ‘সিঙ্ক ভি-১: ব্রেইল এমবসার’, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘আরবর’ এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ পাবলিক কলেজের ‘ব্রেইলব্রিজ’। ব্যক্তিগত বা দলীয় ক্যাটাগরিতে সেরা হয়েছে ‘বিন্দো’।

চ্যাম্পিয়ন ও উইনার হিসেবে নির্বাচিত উদ্ভাবনগুলো এশিয়া প্যাসিফিক আইসিটি অ্যালায়েন্স (অ্যাপিকটা) অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-এ বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য মনোনয়ন পাবে।

 



আর্কাইভ