শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » পরিবেশ » প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান
প্লাস্টিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণে উৎপাদকদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান
![]()
প্লাস্টিক দূষণ মোকাবিলায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিরা। পাশাপাশি পরিবেশের ক্ষতি কমাতে পরিচ্ছন্ন উৎপাদনপ্রক্রিয়া অনুসরণ এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এক সেমিনারে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরিবেশ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইউনিডো) যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে। এতে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা এবং উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় উৎপাদকের বর্ধিত দায়িত্ব বা ইপিআর (পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারীর দায়িত্ব), সম্পদের সাশ্রয়ী ব্যবহার, পরিচ্ছন্ন উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য নকশার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। প্লাস্টিকশিল্পে এসব কার্যক্রম বাস্তবায়নের উপায় নিয়েও অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।
প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে সরকার চলতি বছরের আগস্টে উৎপাদকদের নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নেয়। এর অংশ হিসেবে ‘উৎপাদনকারীর বর্ধিত দায়িত্ব বা ইপিআর-২০২৬’ শীর্ষক একটি নির্দেশিকা প্রণয়ন করা হয়।
সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রানসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিডোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি আলমগীর হোসেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মাসুদ ইকবাল মো. শামীম। স্বাগত বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের উপপরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন।
ইপিআর নীতির কার্যকর প্রয়োগে গুরুত্ব
সেমিনারের কারিগরি অধিবেশনে ইপিআর নীতিমালা বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়। এ বিষয়ে প্রকল্পের জাতীয় বিশেষজ্ঞ মাকসুদ সিনহা একটি প্রবন্ধভিত্তিক উপস্থাপনা তুলে ধরেন।
পরবর্তী আলোচনায় সরকারি সংস্থা, নরওয়ের দূতাবাস, বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি এবং প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইপিআর কার্যকর করার ক্ষেত্রে সরকার, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষের দায়িত্ব ও করণীয় নিয়ে তাঁরা আলোচনা করেন।
সেমিনারের পরবর্তী পর্বগুলোতে শিল্পকারখানায় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং উৎপাদন প্রক্রিয়ায় বর্জ্য কমানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করা হয়। এ ক্ষেত্রে আকিজ প্লাস্টিকস, এক্সোপ্লাস্ট এবং আরএফএল গ্রুপের টেল প্লাস্টিকের প্রতিনিধিরা তাঁদের প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগের কথা জানান।
এ ছাড়া পণ্যের নকশায় পরিবর্তন এনে পরিবেশের ওপর বিরূপ প্রভাব কীভাবে কমানো সম্ভব, তা নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে এসিআই প্রিমিও প্লাস্টিক, প্রাণ-আরএফএল এবং স্কয়ার টয়লেট্রিজের প্রতিনিধিরা তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
‘বাংলাদেশে টেকসই প্লাস্টিক ব্যবহার ও সামুদ্রিক বর্জ্য প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগ’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় সেমিনারটি আয়োজন করা হয়। ইউনিডো ও পরিবেশ অধিদপ্তর যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্পে অর্থায়ন করছে ঢাকায় অবস্থিত রয়্যাল নরওয়েজিয়ান দূতাবাস।






জলবায়ু ও পরিবেশ অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের বড় অর্জন, সেরার মুকুট আইমানের
জলবায়ু ট্রাস্টের ১০১ প্রকল্পের পূর্ণাঙ্গ তথ্য চাইল সংসদীয় কমিটি
কৃষিকাজের সূচনা হয়েছিল কতদিন আগে?
বাড়বে শীত, টানা ২দিন বৃষ্টির সম্ভাবনা
রাতে তাপমাত্রা বাড়বে
‘প্রাকৃতিক সমস্যা মানব সৃষ্ট’
বায়ুদূষণে বিশ্বের শীর্ষে বাংলাদেশ 