শিরোনাম:
ঢাকা, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩

Shikkha Bichitra
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
প্রথম পাতা » প্রবাস » টোকিওতে বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে সেমিনার, সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা
প্রথম পাতা » প্রবাস » টোকিওতে বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে সেমিনার, সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা
৯ বার পঠিত
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

টোকিওতে বাংলাদেশের পর্যটন নিয়ে সেমিনার, সহযোগিতা বাড়ানোর প্রত্যাশা

---

 

জাপানের পর্যটনসংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ও ভ্রমণে আগ্রহী ব্যক্তিদের নিয়ে টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসে ‘বাংলাদেশ ট্যুরিজম সেমিনার’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

টোকিওর বাংলাদেশ দূতাবাস ও ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার-সি সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেড’-এর যৌথ আয়োজনে বুধবার এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৮০ জন অতিথি অংশগ্রহণ করেন।

টোকিওতে বাংলাদেশ দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব (প্রেস) মোহাম্মদ শাফি উল্লাহ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সেমিনারে জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী বলেন, “জাপান দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক অংশীদার। প্রথাগত খাতের বাইরেও পর্যটনের মতো উদীয়মান খাতে বাংলাদেশের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, যা জাপানি ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য অনবদ্য।”

তিনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, প্রত্নতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পাশাপাশি হস্তশিল্প, বাউল সংগীত ও ঐতিহ্যবাহী খাবারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। এ সময় সুন্দরবন, কক্সবাজার, টাঙ্গুয়ার হাওর, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার ও বাগেরহাটের মতো পর্যটন আকর্ষণগুলোর কথাও তুলে ধরা হয়।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পর্যটকদের নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত ভিসা দেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। পাশাপাশি জাপানি অতিথিদের বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী দূতাবাসের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

সেমিনারের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পর্যটন খাতেও আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন ‘ওয়ার্ল্ড এয়ার-সি সার্ভিস কোম্পানি লিমিটেড’-এর প্রেসিডেন্ট এবং কার্যনির্বাহী ইযোসুকে কি কুমা। তিনি বলেন, “বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় জাপানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার এবং বিগত বছরগুলোতে পর্যটন খাতে দেশটি উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধন করেছে।”