শিরোনাম:
ঢাকা, বুধবার, ১৯ মে ২০২১, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৮

Shikkha Bichitra
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০
প্রথম পাতা » Default Category | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাঙ্গন » ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে!
প্রথম পাতা » Default Category | বিশ্ববিদ্যালয় | শিক্ষাঙ্গন » ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে!
৬৫৭৯২ বার পঠিত
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে!

ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে!ইসলাম ধর্ম এবং ইসলামের শ্রেষ্ঠ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে কটূক্তি করার অভিযোগে গত এক সপ্তাহে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ শিক্ষার্থীকে শাস্তিস্বরূপ সাময়িকভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ ধরনের অভিযোগ এনে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভও দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে তারা অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানায়।

সর্বশেষ, আজ শুক্রবার চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কম্পিউটার প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান রোমানকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ফেসবুকে মহানবী (সাঃ)-কে কটূক্তির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক হতে শুরু করে প্রাক্তনদের মাঝেও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ওই শিক্ষার্থীর ছাত্রত্ব বাতিল করার জন্য জোর আন্দোলন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারই প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এদিকে, কোন গােষ্ঠীর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাস-কমেন্ট করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সম্প্রতি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যলয় (বুয়েট) কর্তৃপক্ষ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ও ইসলাম ধর্মকে নিয়ে কটূক্তি করার অভিযোগে গত বুধবার (২৮ অক্টোবর) নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) দুই শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা হলেন প্রতিক মজুমদার ও দীপ্ত পাল পরিবেশ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং বাংলাদেশ সরকারের আইন মোতাবেক দন্ডনীয় অপরাধ করায় তাদের বিশ্ববিদ্যালয় হতে সাময়িক বহিষ্কার করা হল। এর আগে মঙ্গলবার তাদের স্থায়ী বহিষ্কার এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবীতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরের দিন বুধবারও শিক্ষার্থীরা একই দাবি নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে।

গত ২৬ অক্টোবর (সোমবার) ইসলাম ধর্ম নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী তিথী সরকার সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। জবি থেকে এক আদেশে বলা হয়, হযরত মুহাম্মদ (স.)-কে সর্ম্পকে কটূক্তি করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করায় জবি-২০০৫ আইন এর ধারা ১০(১১) এর উপাচার্যের ক্ষমতাবলে সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হল। এর আগে তিথি সরকারের বিভিন্ন মন্তব্য ও ফেসবুক পোস্টের স্ক্রিনশট ভাইরাল হলে তা থেকে তীব্র সমালোচনার শুরু হয়। এক পর্যায়ে জবি শিক্ষার্থীরা তার স্থায়ী বহিষ্কার করার জন্য ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করে।

ফেসবুকে সনাতন ধর্মের দেব-দেবী নিয়ে কটূক্তি ও আপত্তিকর মন্তব্য করায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) শিক্ষার্থী শাকিল হাওলাদারের ছাত্রত্ব সাময়িকভাবে বাতিল করা হয়েছে। গত ২৪ অক্টোবর (শনিবার) যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষেডিনস কমিটি, শিক্ষক সমিতি ও কর্মকর্তা সমিতি ও জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, ধর্মের মর্মবাণী উপলব্ধি করতে না পারা এবং প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন সহজলাভ্য হওয়াতে বিষয়গুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ধর্মকে যারা বুঝতে পারে তারা কখনও কটূক্তি করবে না। এটা রোধে ধর্মের প্রচার-প্রচারণাকারীদের সঠিকভাবে ধর্মের ব্যাখ্যাটা উপস্থাপনের পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন তারা।



আর্কাইভ