শুক্রবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৮
হোম > আইন > রোহিঙ্গা নারী,অপ্রাপ্তবয়স্ক ,শিশু-কিশোরীদেরও ধর্ষণ করছে বার্মিজ সেনাবাহিনী

রোহিঙ্গা নারী,অপ্রাপ্তবয়স্ক ,শিশু-কিশোরীদেরও ধর্ষণ করছে বার্মিজ সেনাবাহিনী

নারী থেকে শুরু করে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের ওপর ও নানারকম যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে মিয়ানমারের সরকারি বাহিনীগুলো। নিউ ইয়র্কভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ তাদের এক প্রতিবেদনে গতকাল এ কথা বলেছে। এতে বলা হয়, প্রত্যক্ষদর্শী ও নিপীড়িত রোহিঙ্গাদের ভাষ্যে স্পষ্ট যে জাত ও ধর্মের কারণে পরিকল্পিতভাবে এসব নির্যাতন চালানো হয়েছে। রোহিঙ্গা নারী, মেয়েদের ওপর পরিকল্পিত ধর্ষণযজ্ঞসহ উত্তর রাখাইন রাজ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো অবিলম্বে স্বতন্ত্র, আন্তর্জাতিক তদন্তের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ৯ই অক্টোবর থেকে শুরু করে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত মংদ্যু জেলার কমপক্ষে ৯টি গ্রামে ধর্ষণ, গণধর্ষণ, আপত্তিকর দেহতল্লাশি ও যৌন নির্যাতন চালায় বার্মিজ আর্মি ও বর্ডার গার্ড পুলিশ সদস্যরা। ভুক্তোভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা সেনাবাহিনী ও সীমান্ত পুলিশ বাহিনীকে শনাক্ত করেছে তাদের পরিহিত উর্দি, মাথার কাপড়, আর্মব্যান্ড ও উর্দিতে থাকা বিভিন্ন লেবেল দেখে। তারা বলেছে, নিরাপত্তা বাহিনী দলবদ্ধ হয়ে হামলা চালিয়েছে। কয়েকজন নারীদের ধরে রেখেছে বা বন্দুকের মুখে রেখেছে অন্যদিকে বাকিরা তাদের ধর্ষণ করেছে। ভুক্তোভোগী অনেকে বলেছেন, তাদের ওপর নির্যাতন চালানোর সময় তাদের জাত ও ধর্ম নিয়ে অপমান করা হয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের জরুরি বিভাগের সিনিয়র গবেষক প্রিয়াঙ্কা মোতাপার্থি বলেন, ‘রোহিঙ্গা নারী, মেয়েদের ওপর নিরাপত্তা বাহিনীর এসব ভয়ঙ্কর হামলা বার্মিজ মিলিটারির যৌন নির্যাতনের দীর্ঘ আর জঘন্য ইতিহাসে নতুন এক নির্মম অধ্যায় যোগ করেছে। মিলিটারি ও পুলিশ কমান্ডাররা যদি নির্যাতনে সম্পৃক্তদের থামানোর জন্য বা শাস্তি দিতে তাদের ক্ষমতার সবটুকু ব্যবহার না করে থাকে তাহলে এসব অপরাধের জন্য তাদের বিচার হওয়া উচিত।’
২০১৬’র ডিসেম্বর থেকে ২০১৭’র জানুয়ারি পর্যন্ত হিউম্যান রাইটস ওয়াচের গবেষকরা বাংলাদেশে ১৮ জন নারীর সঙ্গে কথা বলেছে। এদের মধ্যে ১১ জনই যৌন নিপীড়নের শিকার। এছাড়া ১০ জন পুরুষের সঙ্গে কথা বলেছেন গবেষকরা। ১৭ জন নারী-পুরুষ তাদের স্ত্রী, বোন ও মেয়েদের ওপর যৌন নিপীড়ন চলতে দেখেছেন। সব মিলিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ ধর্ষণ ও অন্যান্য যৌন নিপীড়নের ২৮ ঘটনা নথিভুক্ত করেছে।
এর আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাই কমিশন কার্যালয় থেকে ৩রা ফেব্রুয়ারি এক রিপোর্ট করা হয়। জাতিসংঘের সাক্ষাৎকার নেয়া ১০১ জন নারীর অর্ধেকের বেশি ছিল যৌন নির্যাতনের শিকার। ওই রিপোর্টেও বলা হয়েছিল এসব নির্যাতন পরিকল্পিতভাবে চালানো হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
৯ই অক্টোবর সীমান্ত পুলিশ চৌকিতে হামলার পর বার্মিজ সেনাবাহিনী উত্তর রাখাইন রাজ্যে এক ‘নির্মূল অভিযান’ শুরু করে। নিরাপত্তা বাহিনীগুলো ঢালাওভাবে নারী, পুরুষ ও শিশুদের হত্যা করে, লুটতরাজ চালায়, কমপক্ষে ১৫০০ বাড়ি ও অন্যান্য স্থাপনা পুড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশে পালিয়ে আসে ৬৯ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গা। অন্যদিকে মংদ্যু জেলায় অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়ে আরো ২৩ হাজার মানুষ।

তারা আমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে এক একজন করে ধর্ষণ করে :
কয়েকজন নারীর বিবরণে উঠে এসেছে সেনারা কিভাবে তাদের গ্রাম ও বাড়ি ঘিরে ফেলে নির্যাতন চালায়। তারা উন্মুক্ত স্থানে গ্রামবাসীদের একত্র করে। নারী ও পুরুষদের আলাদা করে। এরপর কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের আটকে রাখে। সেনারা হঠাৎ হঠাৎ গ্রামবাসীদের গুলি করে হত্যা করে। নারী ও মেয়েদের ওপর ধর্ষণ, গণধর্ষণ চালায়। ২০ এর কোঠায় বয়স আয়েশা নামের একজন রোহিঙ্গা নারী হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে বলেছেন, ‘তারা সব নারীকে একত্র করে আমাদের লাঠি দিয়ে মারতে থাকে। বুট দিয়ে লাথি মারতে থাকে। আমাদের মারধর করার পর মিলিটারিরা আমাকে ও আমার বয়সী আরো ১৫ নারীকে আলাদা করে … এরপর তারা আমার পোশাক ছিঁড়ে ফেলে, এক একজন করে আমাকে ধর্ষণ করে।’

স্বামীকে হত্যা করে আরো তিনজন আমাকে ধর্ষণ … রক্তক্ষরণ হতে থাকে:
বাড়িগুলোতে অভিযান চালানোর সময় নিরাপত্তা বাহিনীগুলো প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের মারধর বা হত্যা করে এবং নারীদের ধর্ষণ করে। ৪০-এর কোঠায় বয়স নুর বলেন, প্রায় ২০ জন সেনা তার বাড়িতে ঢুকে তাকে ও তার স্বামীকে ধরে। নুরের ভাষ্যে, ‘তারা আমাকে বাড়ির উঠোনে নিয়ে যায়। দু’জন আমার মাথায় রাইফেল ঠেকায়, আমার জামা কাপড় ছিঁড়ে ফেলে এবং আমাকে ধর্ষণ করে। তারা চাপাতি দিয়ে চোখের সামনে আমার স্বামীকে হত্যা করে। এরপর আরো তিনজন আমাকে ধর্ষণ করে। কিছুক্ষণ পর আমার মারাত্মক রক্তক্ষরণ হতে থাকে। তলপেটে প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছিল। ব্যথা অনুভব করছিলাম সারা শরীরে।’

তোদের হত্যা করবো কেননা তোরা মুসলিম :
রিপোর্টে বলা হয়, যৌন সহিসংতা এলোমেলো বা সুযোগ পেয়ে ঘটানো হয়েছে তা মনে হয়নি বরং এগুলো রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সুপরিকল্পিত ও সমন্বিত এক হামলা। এর পেছনে আংশিক কারণ তাদের জাত ও ধর্ম। হিউম্যান রাইটস ওয়াচকে অনেক নারী বলেছেন তাদের মারধর ও ধর্ষণ করার সময় সেনারা তাদের জাত ও ধর্ম নিয়ে গালি দিয়েছে। এক নারী বলেন সেনারা তাকে বলেছিল, ‘আমরা তোদের হত্যা করবো কেননা তোরা মুসলিম।’ আরেক নারী বলেন, তাকে সেনারা জিজ্ঞাসা করে তারা ‘সন্ত্রাসীদের আশ্রয়’ দিয়েছে কিনা। এরপর তাকে মারধর করতে থাকে এবং ধর্ষণ করে। ২০-এর কোঠায় বয়স এক নারী বলেন, সেনারা তাকে তার নিজ বাড়িতে ধর্ষণের চেষ্টা করে। তাকে সেনারা বলেছিল, ‘তোরা তোদের সন্তানদের বড় করছিস আমাকে মারার জন্য, তাই আমরা তোদের সন্তানদের হত্যা করবো।’

ধর্ষণের শিকার রোহিঙ্গা নারীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সীমিত
হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন যৌন সহিংসতা ও অন্যান্য নির্যাতনের অভিযোগগুলো নিয়ে যেসব রিপোর্ট করেছে তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করার দৃশ্যমান কোন পদক্ষেপ নেয়নি বার্মিজ কর্তৃপক্ষ। মংদ্যু জেলার পরিস্থিতি নিয়ে প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বাধীন এবং বর্তমান ও সাবেক সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় পর্যায়ের একটি তদন্ত কমিশন ৩রা জানুয়ারি অন্তর্বর্তীকালীন একটি রিপোর্ট প্রকাশ করে। কমিশনটি ধর্ষণের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি করে বলে তারা স্থানীয় গ্রামবাসীদের সাক্ষাৎকার নিয়েছে এবং ‘আইনি পদক্ষেপ নেয়ার মতো পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পায়নি’।
প্রিয়াঙ্কা মোতাপার্থি বলেন, ‘সরকারের উচিত ধর্ষণের এসব অভিযোগগুলোর বিরোধিতা করা বন্ধ করে ভুক্তোভোগীদের প্রয়োজনীয় সাহায্য, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য সেবা দেয়া।’
ধর্ষণের শিকার রোহিঙ্গা নারীদের জরুরি স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার সুযোগ সীমিত। ধর্ষণের ফলে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ, এইচআইভির সংক্রমণ ও অন্যান্য যৌন সংক্রামিত রোগ শনাক্ত করতে জরুরি স্বাস্থ্য সেবা প্রয়োজন তাদের। বার্মিজ সরকার রাখাইন রাজ্যে কিছু ত্রাণ সহায়তা যেতে দিলেও, তারা অব্যাহতভাবে আন্তর্জাতিক সহায়তা যেতে বাধা দিচ্ছে। ওই এলাকায় ধর্ষণের শিকার কতজন ভুক্তোভোগী আছেন এবং তারা যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা পেয়েছেন কিনা- এ বিষয়গুলো অজানা।
বাংলাদেশে পালিয়ে আসা যেসব নারীদের সঙ্গে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ কথা বলেছেন তাদের কেউই বাংলাদেশে আসার আগ পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবা পায়নি বলে জানিয়েছে। বাংলাদেশে আসার পর অনেকে বলেছেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান সেবাগুলো নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য তাদের কাছে নেই বা, ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়ার যাতায়াত খরচ তাদের নেই।
প্রিয়াঙ্কা মোতাপার্থি বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অন্যান্য অপরাধ তদন্তে সরকারের ব্যর্থতা মিয়ানমারের বন্ধু ও দাতাদের স্পষ্ট বার্তা দেয়া উচিত যে মর্মান্তিক এসব নির্যাতনের ঘটনা খতিয়ে দেখতে একটি স্বতন্ত্র, আন্তর্জাতিক তদন্তের জরুরি প্রয়োজন।’

রোহিঙ্গা হত্যা ধর্ষণের অভিযোগ নাকি ও জাতিসংঘের আবিষ্কৃত !
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ওপর হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছে মঙ্গলবার তাকে ‘মিথ্যা ও বানোয়াট’ বলে দাবি করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। খবর এএফপির। জাতিসংঘের তদন্ত কমিটির রিপোর্টে রোহিঙ্গাদের গণহারে হত্যা, ব্যাপক ধর্ষণ, আগুনে পুড়িয়ে হত্যাসহ ভয়াবহ নিপীড়নের প্রমাণ মিলেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে এক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং জাতিগত নিধন’-এর সমতুল্য বলে মন্তব্য করা হয়। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া শুরু হলে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। এর নেতৃত্বে ছিলেন সেনাপ্রধান আই উইন। তদন্তকারী দল বাংলাদেশে আসেনি। কিন্তু তারা বলছে, ২৯টি গ্রামের প্রায় তিন হাজার লোকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। তদন্তের ফল জানিয়ে মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের করা ধর্ষণ ও হত্যার সব ধরনের অভিযোগ ছিল অসত্য।
সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রতিবেদনে উল্লিখিতসহ মোট ১৮টি অভিযোগ তদন্তে দেখা যায়, ১২টি সঠিক নয় আর বাকি ছয়টি মিথ্যা ও মনগড়া। অভিযোগের ভিত্তি ছিল মিথ্যা ও আবিষ্কৃত বিবৃতি।

মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ থেকে বার্মিজদের দায়মুক্তি
বার্মিজ সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে হত্যা, ধর্ষণ বা নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে তারা নিজস্ব তদন্ত পরিচালনা করেছে এবং রোহিঙ্গা জাতিগত সংখ্যালঘুদের ওপর গুরুতর নির্যাতনের যে অভিযোগ উঠেছিল তা সব হয় মিথ্যা না-হয় ভ্রান্ত।

গত বছর রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের ৬৫ হাজারের বেশি মানুষ সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে প্রবেশ করে। তাদের অনেকেই বার্মিজ সেনাদের হাতে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ করেন।
মিয়ানমার থেকে বিবিসির সংবাদদাতা জোনাহ ফিশার জানান, জাতিসংঘ বাংলাদেশে পালিয়ে আসা শত শত রোহিঙ্গা নাগরিকের বক্তব্য শোনার পর বার্মার সেনাবাহিনী গত ফেব্রুয়ারি মাসে এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করে। বার্মিজ সেনাদের দ্বারা রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের নারীদের ব্যাপকহারে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগ ওঠার পর জাতিসংঘের কর্মকর্তারা একে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেন। যদিও বার্মার সেনাবাহিনীর তদন্তকারী দল বাংলাদেশে যায়নি কিন্তু তারা বলছে, প্রায় ৩০০০হাজার গ্রামবাসীর সঙ্গে কথা বলেছে তারা।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাতিসংঘের করা ধর্ষণ এবং হত্যার সবধরনের অভিযোগ ছিল অসত্য। সেইসঙ্গে তারা উল্লেখ করেছে, কেবলমাত্র দুটো ঘটনার ক্ষেত্রে সেনারা অসদাচরণ করেছে।

স্বাধীন তদন্তে সুচির বাধা

তবে সেসময় রাখাইন রাজ্যের আগুনে পুড়ে যাওয়া গ্রাম ও মানুষের মৃতদেহের যে ভয়াল ছবি এবং নারীদের বয়ানে যে চিত্র উঠে এসেছে, তার প্রেক্ষিতে এই তদন্ত দলের পর্যবেক্ষণ মেলানো বেশ কঠিন। ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধানের জন্য জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত দল পাঠানোর প্রচেষ্টাও মিয়ানমারের নেত্রী অং সাং সুচির বাধার কারণে আটকে গেছে বলে মনে করা হয়। বিবিসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *